Skip to main content

অবহেলা

 প্রিয় অবহেলা,

মনে রেখো,


তুমি যদি রাত্রি হও, আমি ভোর হতে শিখেছি।

অন্ধকার দিয়ে গ্রাস করতে পারবেনা। 

আর আধো অন্ধকারে এখন হাঁটতে পারি। 


তুমি যদি আগুন হও, আমি পানি হতে শিখেছি।

পুড়িয়ে ছাই করতে পারবেনা। 

আর ফুটন্ত গরম এখন সইতে পারি। 


তুমি যদি ঘূর্ণিঝড় হও, আমি বট হতে শিখেছি। 

উড়িয়ে নিয়ে যেতে পারবেনা। 

আর দুই একটা ডাল ভাঙার কষ্ট এখন সইতে পারি।


তুমি যদি নদী হও আমি কচুরিপানা হতে শিখেছি। 

ডুবাতে পারবেনা। 

আর ভেসে যাওয়া এখন অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। 



তোমার দেওয়া কষ্ট যদি এক আকাশ সমান হয় তবে আমি পাখি হতে শিখেছি। 

কষ্টের মধ্যেও মনের সুখে উড়তে পারি। 

 আর ঝড়, বৃষ্টিতে আস্তে আস্তে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি।



তুমি যদি মুষলধারে বৃষ্টি হও, আমি কচুপাতা হতে শিখেছি। 

জীবনের সাথে আষ্টেপৃষ্ঠে লেগে থাকতে পারবেনা। 

আর দু-একফোটা বৃষ্টির পানি এখন তেমন প্রভাব ফেলে না।  

 

অবহেলা.....


ভেবেছিলাম তুমি আমাকে ভেঙে চুরমার করে দিলে।

আমি ভুল ছিলাম। 

তুমি আমাকে ইস্পাতের মত শক্ত করে গেলে। 


এই ছোট্ট জীবনে তোমাকে পেয়েছি অনেক বার। 

পেতে চাই আরও অনেক অনেক অনেক বার। 

তোমার সংস্পর্শে এসে আমি ধারালো তলোয়ার হতে চাই!




অবহেলা

– রুহুল আমিন (বিজয়)



Comments

Popular posts from this blog

Ruhul Amin Bijoy

আর কত ঘুমাবি? ওঠ জাগ,  তোরা উড়বি, তোরাই উড়াবি! - রুহুল আমিন বিজয় Ruhul Amin Bijoy #Ruhul_Amin_Bijoy #রুহুল_আমিন_বিজয়

সমালোচনা কবিতা

 জিবনের পথে এগিয়ে চলতে গিয়ে, সমালোচনার ভয়ে, সহস্র বার পেছনে তাকিয়ে , কিছুই পাই নি আমি । শুধু বুঝেছি ,,,, যদি হতে চাও সবার কাছে দামী । তাহলে হতে হবে বেনামি । তাইতো আজ সমালোচনা ভুলে , সবার কথা ফেছনে ফেলে ,  এগিয়ে চলার চেষ্টা ,,  না জানি কত ক্রস দূরে ,, দেখবো এর শেষটা । কিন্তু আর পেছনে তাকাবো না , কারণ আমি সমালোচকদের ভয়ে ,, নিজেকে শেষ করতে চাই না । চাই না আমি থেমে থাকতে । অন্যের ভয়ে নিজেকে দমিয়ে রাখতে ।  আমি শিখতে চাই , শেখাতে চাই , বুঝতে চাই , বোঝাতে চায় । এতে সফলতা পাই বা না পাই । আমার কোনো দ্বিধা নাই ।  শুধু চেষ্টা করে যেতে চাই ,  যতটা আমার প্রাণে সই ।  তাইতো আজ সমালোচনা ভুলে, সবার কথা পেছনে ফেলে,,  এগিয়ে চলার চেষ্টা ।  জানিনা কোথায় আছে এর শেষটা  ~ রুহুল আমিন বিজয়

প্রথম প্রেম কেমন হই । প্রথম দেখা সেই মেয়েটি

প্রথম দেখায় প্রেম                             কোনো এক চৈতের রদ্রজ্জ্বল দুপুরে দেখেছিলাম তাকে। কালো রঙের বোরকা পরে ছাতার আড়াল হয়ে হেঁটে চলেছিল পশ্চিমা মুখী হয়ে । হাতের হলুদ ছাতার উপরে রোদের আলো পড়ে যেনো একটা আলাদা আমেজ সৃষ্টি হয়েছিল । ছাতাটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম আমি । হটাৎ এক পশলা রোদের কিরণ তার ছাতার এক পাশ ভেদ করে ঠিক যেনো তার চোখের উপর পড়েছিল । ওই প্রথম তার চোখগুলো দেখেছিলাম ।ঠিক যেনো ঘন অন্ধকারের মধ্যে দুইটা জোনাকি তার চারপাশটা আলোকিত করে রেখেছে। কয়েক সেকেন্ড পর আমার হুশ ফিরল। ততক্ষনে দেখি সে কিছুটা এগিয়ে গেছে । আমি তার পিছে হাঁটতে শুরু করলাম পশ্চিমা মুখী হয়ে । মনের মধ্যে লজ্জা সংকোচ ও অপরাধবোধ কাজ করছিলো । তবুও কেনো জানি আমি তার পিছে হেঁটেই চলেছিলাম । হটাৎ দেখি সে আর এগোই না । এক জায়গায় দাড়িয়ে আছে ।   ভাবলাম সে কি বুঝেই গেলো । আমার হার্ট রেট বেড়েই চলেছে থাপ্পড় খওয়ার ভয়ে। মনে হচ্ছিল এক দৌড় দিয়া পালিয়ে যাই । তার পরেও ছোট ছোট পায়ে এগিয়ে যাচ্ছিলাম তার দিকে । হটাৎ তার সামনে আমি কয়েকটা ক...